শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ - ১১:০৫
যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, তিন শিশুসহ ৪ জন নিহত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিন শিশুসহ চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুরক্ষা এবং স্কুলে বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধে গৃহীত ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের মতে, বারবার এমন প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটলেও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে-মার্কিন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জীবনের প্রকৃত নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত?

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, এ খবর নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা:

মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বিদ্যালয় যেন যমালয় ও কসাইখানা। সেখানে শিক্ষার্থীরা তথাকথিত বস্তুবাদী সেক্যুলার বিদ্যার্জন ও জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি  নর হত্যারও অনুশীলন ও চর্চা করে। কেমন হতচ্ছাড়া, নচ্ছাড়, অভদ্র, অসভ্য, ইতর, বদমাইশ, হারামযাদাদের জাতি ও দেশ হচ্ছে এই মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)।

তিনজন শিশুসহ ৪ জন (১৬ বছরের কিশোর গুলিবর্ষণকারী ঘাতক) নিহত ও বেশ কিছু আহত হয়েছে সাম্প্রতিক এই গুলিবর্ষণের ঘটনায়।

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, তিন শিশুসহ ৪ জন নিহত

যারা নিহত ও আহত হয়েছে তারা ছাড়াও যে সব শিশু শিক্ষার্থী শারীরিক ভাবে আহত হয় নি তারাও এ ঘটনা থেকে তীব্র মানসিক আঘাত পেয়েছে এবং তাদের মধ্য থেকে অনেকেই অবশ্যই মানসিক বিকৃতির শিকার হবে এবং এটা তাদের অনেকের কাছে সারাজীবন কঠিন দু:স্বপ্ন হয়ে যাবে ও থাকবে।

এ কেমন স্বপ্নের স্বর্গরাজ্য মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)?!!! অসভ্য হারামযাদা এ জাতিটার রক্ত,মাংস ও অস্থিমজ্জায় নরহত্যা,মানব হত্যা ও জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ সমূহ গত পাঁচ শো বছর ধরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে যার প্রমাণ গত পাঁচ শো বছর ধরে আমেরিকার মিলিয়ন মিলিয়ন আদিবাসী রেড ইন্ডিয়ানকে কচুকাটা, গণহত্যা ও প্রজন্ম হত্যা করে একদম শেষ করে দিয়েছে ।

আসলে সাদা চামড়ার বহিরাগত ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানরা উক্ত আমেরিকা মহাদেশের অবৈধ দখলদার জবরদখলকারী অভিবাসী ছাড়া আর কিছুই নয় যারা দেশটি অবৈধ ভাবে জোর করে জবরদখল করেছে এবং তাদের আমেরিকায় থাকার বিন্দু মাত্র বৈধ ন্যায্য অধিকার নেই।

সাদা চামড়ার ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত অভিবাসীদের (অর্থাৎ শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয় আমেরিকান) উচিত ও অবশ্য কর্তব্য হচ্ছে অধিকৃত ও জবর দখলকৃত সমগ্র আমেরিকা মহাদেশকে  বেঁচে থাকা গুটিকতক আদিবাসী রেড ইন্ডিয়ানের কাছে অবিলম্বে হস্তান্তর করে ঐ মহাদেশ ত্যাগ করে তাদের পূর্ব পুরুষদের মাতৃ-পিতৃভূমি ইউরোপে প্রত্যাবর্তন করা এবং সেখানে জায়গা না হলে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের পানিতে ডুবে মরা।

কারণ তারা বংশানুক্রমিকভাবে আমেরিকা মহাদেশের অবৈধ দখলদার হানাদার। তবে আমেরিকা মহাদেশের অশ্বেতাঙ্গ অভিবাসীরা (এশীয় ও আফ্রিকান অভিবাসীরা) সম্পূর্ণ বৈধ অভিবাসী।

কারণ তারা অবৈধ ভাবে ও বলপূর্বক এ ভূখণ্ডের আদিবাসী ভূমিপুত্র রেড ইন্ডিয়ানদের মেরে কেটে উচ্ছেদ ও নিশ্চিহ্ন করে তাদের ভূখণ্ড ও মাতৃভূমি জবরদখল করে নি!!!!!

 মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) দখলদার অবৈধ শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয় অভিবাসীরা শুধু আমেরিকা মহাদেশেই নয় বরং বিশ্বের অন্য সকল মহাদেশে বর্বর আক্রমণ, হামলা ও আগ্রাসন চালিয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন (কোটি কোটি) মানুষকে হত্যা করেছে

যার সর্বশেষ নমুনা ও উদাহরণ হচ্ছে ন্যাটো ও স্থানীয় মিত্র আরব দেশ গুলোর পূর্ণ সহযোগিতায় মাযুরা (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) ও ইতরাঈল (ইসরাইল) ইরানের ওপর হামলা ও আগ্রাসন চালিয়ে ২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের এ সময় (১৭ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উযমা ইমাম সাইয়েদ আলী হুসাইনী খামেনেয়ী সহ ৫০০০ এর অধিক ইরানীকে হত্যা করেছে।

আসলে এ সব শ্বেতাঙ্গ ইউরোপীয় ও মার্কিনীরা প্রকৃত নরাধম ও ইতর এবং তারা মানুষ নামের অযোগ্য  বরং তারা হচ্ছে শয়তান, জাত খুনী ও নরঘাতক, সন্ত্রাসী, সন্ত্রাসবাদী, ইতর, পিশাচ, চরিত্র হীন, অশালীন, অসৎ, তস্কর-দস্যু, লুটেরা, জঘন্য ভয়ঙ্কর অপরাধী ও দুষ্কৃতকারী।

তাই এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রাম সকল বিশ্ববাসীর একান্ত কর্তব্য।

'এক হাতে অসি আরেক হাতে মসি'----এটাই হলো যেন মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) স্কুলগুলোর আসল অবস্থা এবং বাস্তব রূপ ও চিত্র।

স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে এ ধরনের গুলি বর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যদি  কোনো এশীয় বা আফ্রিকান দেশে অহরহ সংঘটিত হত তাহলে পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম সমূহ ঐ দেশকে অসভ্য, অভদ্র, বুনো-জংলী ও খুনী দেশ বলে প্রচার করত।

কিন্তু মাযুরায় (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে এ ধরনের গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা যে অহরহ ঘটছে সেটা নিয়ে তৃতীয় বিশ্বের কোনো দেশের সংবাদ মাধ্যম ও চিন্তক প্রতিষ্ঠান সমূহ মোটেও মাথা ঘামায় না এবং কোনো সমালোচনা ও পর্যালোচনা পর্যন্ত করে না। এটা যেন তাদের কাছে আলোচনার বিষয় বস্তু নয়। কারণ মাযুরা ও পশ্চিমা দেশগুলো হচ্ছে এ সব চিন্তক ও থিংক ট্যাংকের কাছে সব ধরনের দোষ-ত্রুটিমুক্ত সমাজ ও স্বর্গ রাজ্য।

আসলে মাযুরার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের শিক্ষার্থীদের জীবনের প্রকৃত নিরাপত্তা আছে কি?

ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক  মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha